নেটওয়ার্কের ধারণা 2021

দুই বা ততােধিক কম্পিউটারকে যােগাযােগের কোনাে মাধ্যম দিয়ে একসাথে জুড়ে দিলে যদি তারা নিজেদের ভেতর তথ্য কিংবা উপাত্ত আদান-প্রদান করতে পারে- তাহলেই আমরা সেটাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলতে পারি। বুঝতেই পারছ সত্যিকারের নেটওয়ার্কে আসলে দু-তিনটি কম্পিউটার থাকে না। সাধারণত অনেক কম্পিউটার থাকে। আজকাল এমন হয়ে গেছে যে, কেউ একটা কম্পিউটার কিনলে যতক্ষণ না সেটাকে একটা নেটওয়ার্কের সাথে জুড়ে দিতে পারে, ততক্ষণ তার মনে হতে থাকে কম্পিউটার ব্যবহারের আসল কাজটিই বুঝি করা হলাে না। তার কারণ হচ্ছে কম্পিউটারের নেটওয়ার্কে যখন তথ্য দেওয়া নেওয়া হয়, তখন একটা অনেক বড় কাজ হয়। একজন ব্যবহারকারী তখন নেটওয়ার্কের সকল কিছু ব্যবহার করতে পারে। যে জিনিস গুলি তার কাছে নেই, সেগুলিও সে নেটওয়ার্ক থেকে খুব সহজে ব্যবহার করতে পারে। প্রিন্টার ইন্টারনেট T। ক্লায়েন্ট ক্লায়েন্ট IX সুইচ রাউটার সাভার ক্লায়েন্ট একটি নেটওয়ার্ক নেটওয়ার্কের সসম্পুর্ন ধারণা পাওয়ার জন্য নেটওয়ার্কের সাথে সম্পর্ক আছে এরকম কিছু যন্ত্রপাতির কথা জানা প্রয়োজন।



সার্ভার: সাভার নাম শুনেই বুঝতে পারছ এটা serve করে। অর্থাৎ সার্ভার হচ্ছে শক্তিশালী কম্পিউটার যেটি নেটওয়ার্কের অন্য কম্পিউটারকে নানা রকম সেবা দিয়ে থাকে। একটি নেটওয়ার্কে কিন্তু একটি নয় অনেকগুলাে সার্ভার থাকতে পারে। ক্লায়েন্ট ; কেউ যদি অন্য কারাে কাছ থেকে কোনাে ধরনের সেবা নেয়, তখন তাকে ক্লায়েন্ট বলে। কম্পিউটার নেটওয়ার্কেও ক্লায়েন্ট শব্দটির অর্থ মােটামুটি সেরকম। যে সব কম্পিউটার সার্ভার থেকে কোনাে ধরনের তথ্য নেয় তাকে ক্লায়েন্ট বলে। যেমন মনে কর, তুমি তােমার কম্পিউটার থেকে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ই-মেইল পাঠাতে চাও। তাহলে তােমার কম্পিউটার হবে ক্লায়েন্ট।



কম্পিউটার নেটওয়ার্ক নেটওয়ার্কের যে কম্পিউটারটি “ইমেইল পাঠানাের কাজটুকু তােমার জন্য করে দেবে সেটা হবে সার্ভার”- এ ক্ষেত্রে এ সার্ভারটি হল ইমেইল সার্ভার। মিডিয়া: যে বস্তু ব্যবহার করে কম্পিউটারগুলাে জুড়ে দেওয়া হয় সেটা হচ্ছে মিডিয়া। বৈদ্যুতিক তার, কো-এক্সিয়াল তার, অপটিক্যাল ফাইবার ইত্যাদি মিডিয়া হতে পারে। কোনাে মিডিয়া ব্যবহার না করেও তার বিহীন (যেমন- Wi-Fi) পদ্ধতিতে কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে জুড়ে দেওয়া যায়। নেটওয়ার্ক এডাপ্টার : একটি কম্পিউটারকে সােজাসুজি নেটওয়ার্কের সাথে জুড়ে দেয়া যায়। । সেটি করার জন্য কম্পিউটারের সাথে একটি নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) লাগাতে হয়। সেই কার্ডগুলাে তখন মিডিয়া থেকে তথ্য নিয়ে ব্যবহার করার জন্য কম্পিউটারকে দিতে পারে।



 আবার কম্পিউটার থেকে তথ্য নিয়ে সেটি নেটওয়ার্কে ছেড়ে দিতে পারে। রিসাের্স ক্লায়েন্টের কাছে ব্যবহারের জন্য যে একটি সার্ভার সকল সুযােগ-সুবিধা দেওয়া হয়, তার সবই হচ্ছে রিসাের্স। কম্পিউটারের সাথে যদি একটি প্রিন্টার কিংবা একটি ফ্যাক্স মেশিন লাগানাে হয় সেটি হচ্ছে রিলাের্স। কম্পিউটার দিয়ে কেউ যদি সার্ভারে রাখা একটি ছবি আকার সফটওয়ার ব্যবহার করে সেটিও রিসাের্স। যারা নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তারা শুধু যে রিসাের্স গ্রহণ করে তা নয়, তােমার কাছে যদি কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকে বা মজার ছবি থাকে এবং সেটি যদি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্যরাও ব্যবহার করতে থাকে তাহলে তােমার কম্পিউটারও একটি রিসাের্স হয়ে যাবে।



ইউজার : সার্ভার থেকে যে ক্লায়েন্ট রিসাের্স ব্যবহার করে, সে-ই ইউজার (user) বা ব্যবহারকারী। প্রটোকল : ভিন্ন ভিন্ন কম্পিউটারকে একসাথে যুক্ত করতে হলে এক কম্পিউটারের সাথে অন্য কম্পিউটারের যােগাযােগ কার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। এসব নিয়ম মেনেই তথ্য আদান-প্রদান করতে হয়। যারা নেটওয়ার্ক তৈরি করে তারা আগে থেকেই ঠিক করে নেয়, কোন ভাষায়, কোন নিয়ম মেনে এক কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের সাথে যােগাযােগ করবে। এই নিয়মগুলােই হচ্ছে প্রটোকল। যেমন- ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য প্রটোকল হলাে hyper text transfer protocol (http)।


Tags:

নেটওয়ার্কের ধারণা 2021

নেটওয়ার্কের ধারণা ব্যাখ্যা কর

কম্পিউটার নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর সুবিধা

নেটওয়ার্কের ব্যবহার

নেটওয়ার্ক অর্থ কি

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি করতে কি দরকার হয়

নেটওয়ার্ক সংগঠন বলতে কি বুঝ

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর উদ্দেশ্য কি

নেটওয়ার্ক প্রধানত কয়টি

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলতে কি বুঝায়

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কত প্রকার

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর সুবিধা ও অসুবিধা

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর অসুবিধা


No comments